1. news.sondhan24@gmail.com : Masudur Rahman : Masudur Rahman
  2. reporternahidtkg@gmail.com : Nahid Reza : Nahid Reza
  3. jmitsolutionbd@gmail.com : jmmasud : jmmasud Sheikh
অতিথি পাখির কলকাকলিতে মুখর ধামইরহাটের আলতাদিঘী জাতীয় উদ্যান - Sondhan24
শুক্রবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২০, ০৫:২৯ অপরাহ্ন
নোটিশ :
সন্ধান২৪ এর পক্ষ থেকে সবাইকে স্বাগতম। করোনা ভাইরাস রোধে নিয়মিত সাবান দিয়ে হাত পরিস্কার করুন এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন। ধন্যবাদ
শিরোনাম :
বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে বশেমুরবিপ্রবি’র রেজিস্ট্রারের শ্রদ্ধা মৌলবাদী ও স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি যা বলেছে তা অপপ্রচার-কেন্দ্রীয় ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের শ্রদ্ধা ঠাকুরগাঁওয়ে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মুল কমিটির মানববন্ধন ঠাকুরগাঁওয়ে ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ঠাকুরগাঁওয়ে স্বেচ্ছাসেবকলীগের মানববন্ধন ফরিদপুর যুবলীগের কমিটি নতুন বছরের প্রথম দিকে হবে : নিক্সন চৌধুরী গোপালগঞ্জে যাত্রীবাহী বাস খাঁদে পড়ে নিহত ৪ ভাঙ্গা উপজেলা প্রশাসনিক ভবন ও হলরুম নির্মান কাজের ভিত্তি প্রস্তর ফলক উন্মোচন সরকারি পাটকলগুলো বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেয়া হবে

অতিথি পাখির কলকাকলিতে মুখর ধামইরহাটের আলতাদিঘী জাতীয় উদ্যান

  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ২০ নভেম্বর, ২০২০, ৪.০৬ পিএম
  • ৩২ জন সংবাদটি পড়েছেন।

মাসুদ সরকার, ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনধিঃ প্রাকৃতির সৌন্দর্যের লীলাভুমি নওগাঁর ধামইরহাট আলতাদিঘী জাতীয় উদ্যান এখন অতিথি পাখির কলকাকলিতে মুখর। প্রতি বছর শীতকাল এলেই আমাদের চারপাশে বিভিন্ন জলাশয়, খাল-বিল, হাওড়, পুকুর ভরে যায় নানা রং বেরঙের নাম না জানা অনেক প্রজাতির পাখি। এবারও শীতের শুরুতে অতিথি পাখিরা ভিড় জমিয়েছে। উপযুক্ত পরিবেশ আর নিরাপদ আশ্রয়ে আলতাদিঘী পদ্মে শোভিত এসব অতিথি পাখি মেতে উঠেছে জলকেলিতে। অতিথি পাখির গুঞ্জনে-কুঞ্জনে সবুজ বনানী পরিবেষ্টিত রুপসী বাংলার নির্জন প্রান্তর ভারত সীমান্ত ঘেঁষা ধামইরহাটের আলতাদিঘী সেজে উঠেছে নতুন সাজে, নবরুপে।

প্রকৃতির অপার সুন্দরের মাঝে যদি হারিয়ে যেতে চান তা হলে চলে আসুন আলতাদিঘীতে। আপনি চাইলে ছুটির দিনগুলোতে ঘুরে আসতে পারেন ধামইরহাটের আলতাদিঘী জাতীয় উদ্যান থেকে। দিঘীর জলাশয়ে আছে লাল শাপলা। লাল শাপলার এ গালিচার মধ্যে অতিথি পাখির আনাগোনাও ভালো লাগবে। বর্তমান শীতের আগমনে অতিথি পাখিদের মধ্যে বালি হাঁস, পান কৌটি, বক পাখি, ডাহুক, পান মুরগি, দলপিপি, জলের কাঁদা খোচা, সাদা বক, সারলি, চখা-চখি, রাজ হাঁস, কানি বক, ধুসর বক প্রাধান্যই বেশী।

তবে শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পাখির সংখ্যা ও প্রজাতি সাধারণত বেড়ে থাকে। দিঘীর চারপাশে পাখিদের কিচির মিচির ডাক, আর কলকাকলি শোনা যায়। এমন দৃশ্যের দেখা মেলে সকাল-বিকাল। ছোট ছোট আসর বসিয়ে শত শত পাখি কখনো আপন খেয়ালে পানিতে ডুব দিচ্ছে, আবার কখনো উড়াল দিচ্ছে আকাশে। খোলা আকাশে দু’এক চক্কর দিয়ে আবার নেমে আসছে পানিতে। খুনসুটি করছে একে অন্যের সঙ্গে, দিচ্ছে ডুব সাঁতার। কেউ আবার পালকের ভেতর মুখ গুঁজে পোহাচ্ছে মিষ্টি সোনালী রোদ। পুরো এলাকা যেন পরিণত হয়েছে পাখির রাজ্যে। সকাল থেকে সন্ধ্য পর্যন্ত পাখিদের কলকাকলিতে মুখর হচ্ছে চারদিকে। শীতকালে বাংলাদেশের অনেক জায়গায় এসব ‘পরিযায়ী’ পাখিদের আনাগোনা দেখা যায়। সে সবের মধ্যে সবুজে ঘেরা ধামইরহাটের আলতাদিঘী জাতীয় উদ্যানেও অতিথি পাখি দেখতে প্রতিদিন দর্শনার্থী ভিড় করছে। বছরের সেপ্টম্বর মাসে হিমালয়ের উত্তরে প্রচন্ড শীত নামতে শুরু করে। ফলে উত্তরের শীত প্রধান অ ল সাইব্রেরিয়া, মঙ্গোলিয়া, জিনজিয়াংসহ চীনের নানা শীতর্ত এলাকা নেপাল ও ভারতের প্রচুর তুষারপাত হয়। তুষার পাতের ধকল সইতে না পেরে পাখিরা উষ্ণতার খোঁজে পাড়ি জমায় নাতিশীতোষ্ণ দেশে। পাখি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডিসেম্বরের মাঝামাঝি থেকে জানুয়ারী মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত সাইব্রেরিয়া থেকে বেশি পাখি আসে।

বর্তমান যেসব পাখি দেখা যাচ্ছে সেগুলো নেপাল, ভারতের হিমালয় এবং বাংলাদেশের হাওড় অ ল থেকে। শীত মৌসুমে এদেশে দু’ধরণের পাখির আগমন ঘটে। এক ধরণের পাখি ডাঙায়, শুকনো স্থানে বা গাছের ডালে বসে বিশ্রাম নেয়। আরেক ধরণের পাখি পানিতে থাকে ও বিশ্রাম নেয়। এদের বেশীর ভাগই হাঁস জাতীয়। পাখি গুলির মধ্যে বেশীর ভাগ ছোট সরালি, ল্যঞ্জা হাঁস, খুন্ডে হাস আসে, তাই এ সময় নৈসর্গিক আলতাদিঘী অপেক্ষা করতে থাকে তাদের জন্য। সকাল বেলা শীতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে অনেকেই আসে।

দিঘীতে আশা পর্যটক জয়পুরহাট জেলা সদরে যুগবানী মুদ্রায়নের সত্ত্বাধিকার সুহেল হক বলেন, “শীতের সকালে কুয়াশার চাদর ভেদ করে সবুজ প্রকৃতি দেখতে খুব ভালো লাগে। তার সঙ্গে সঙ্গে পাখির কলকাকলিতে মন হারিয়ে যায় আজানা কোথাও।”

অন্য আরেক জন পর্যটক রাজশাহীর জাহাঙ্গীর বলেন, “নয়নভিরাম এই আলতাদিঘী চারপাশে অনেক পুরনো শাল বাগান দেখতে খুবই ভাল লাগছে।” দিঘীটির এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ডানা মেলে পাখিদের উড়ানো, ছুটাছুটি, খুনসুটি আর খাবার সংগ্রহের দৃশ্য এবং মনের সুখে সাতার কাটতে থাকা অতিথি পাখির ঝাক সবকিছু মিলিয়ে মুগ্ধ করে দর্শনাথীদের। অতিথি পাখিদের আগমনকে কেন্দ্র করে একদিকে বেড়েছে ২ শত বছরের পুরোনো শাল বাগানের সৌন্দর্য অন্যদিকে পর্যটকরাও চুটে আসছে অতিথি পাখির অবাদ বিচরণ দেখতে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2020
Design & Development by : JM IT SOLUTION