1. news.sondhan24@gmail.com : Masudur Rahman : Masudur Rahman
  2. reporternahidtkg@gmail.com : Nahid Reza : Nahid Reza
  3. jmitsolutionbd@gmail.com : jmmasud : jmmasud Sheikh
গাইবান্ধায় পানি বিপদসীমার ৬১ সে.মি উপর দিয়ে প্রবাহিত - Sondhan24
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২০, ০৬:২৬ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
সন্ধান২৪ এর পক্ষ থেকে সবাইকে স্বাগতম। করোনা ভাইরাস রোধে নিয়মিত সাবান দিয়ে হাত পরিস্কার করুন এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন। ধন্যবাদ
শিরোনাম :
শেখ ফজিলাতুন্নেছার জন্মদিনে ঠাকুরগাঁওয়ে স্বেচ্ছাসেবক লীগের গাছের চারা বিতরণ মুজিববর্ষেই বঙ্গবন্ধুর খুনিদের দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছি : পররাষ্ট্রমন্ত্রী সোশ্যাল মিডিয়ার সার্ভিস প্রোভাইডাররা অপব্যবহারের দায় এড়াতে পারে না : তথ্যমন্ত্রী সিনহা হত্যায় ওসি প্রদীপসহ ৯ জন কক্সবাজার আদালতে মুকসুদপুরে পানিতে ডুবে কৃষকের মৃত্যু ডিইউজি’র সাংগঠনিক সম্পাদকের উদ্যোগে গোপালগঞ্জে সাংবাদিকদের মাঝে সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু ইতিহাসের মহানায়ক -রমেশ চন্দ্র সেন গোপালগঞ্জে ভোগান্তি বাড়ছে ১০ গ্রামের বানভাসিদের গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় এক নারী নিহত গোপালগঞ্জের ছাত্রলীগ নেতা তুষার হত্যাকান্ডের ১৬তম বার্ষিকী আজ

গাইবান্ধায় পানি বিপদসীমার ৬১ সে.মি উপর দিয়ে প্রবাহিত

  • প্রকাশিত : সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২০, ১০.১১ পিএম
  • ৩৯ জন সংবাদটি পড়েছেন।

আশরাফুল ইসলাম গাইবান্ধা: টানা বৃষ্টি আর উজান থেকে নেমে আসা পানির ঢলে গাইবান্ধায় ব্রহ্মপুত্র, ঘাঘট ও তিস্তার পানি অব্যাহতভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় সবগুলো নদীর পানি এখন বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড সুত্রে জানা গেছে, ব্রহ্মপুত্রের পানি গত ২৪ ঘন্টায় সোমবার দুপুর ৩টা পর্যন্ত বিপদসীমার ৬১ সে.মি., ঘাঘট নদীর পানি বিপদসীমার ৩৭ সে.মি. এবং তিস্তার পানি বিপদসীমার ১৩ সে.মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এসব নদীর পানি নতুন করে আবার বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলার সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি, সাঘাটা ও গাইবান্ধা সদর উপজেলার নদী তীরবর্তী নিচু অঞ্চল এবং বিভিন্ন চর এলাকায় নতুন করে পানি উঠতে শুরু করেছে। ফলে ওইসব এলাকার মানুষ আবারও বন্যা আতংকে নানা উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছে।

এদিকে পানির চাপ বেড়ে যাওয়ায় পলাশবাড়ী গোবিন্দগঞ্জ অংশে করতোয়া ও ব্রহ্মপুত্র বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধসহ গাইবান্ধা শহর রক্ষা বাঁধের বিভিন্ন পয়েন্ট হুমকির মুখে পড়েছে। এব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মোখলেছুর রহমান জানান, ভাঙনের হুমকির কারণে বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধের কয়েকটি পয়েন্টে জরুরী প্রতিরক্ষামূলক কাজ শুরু করা হয়েছে। এছাড়াও ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, যমুনা, ঘাঘট, করতোয়া সহ পাঁচটি নদীর ২৬৫টি চরে বসবাসকারী মানুষ এবং নদীতীরবর্তী এলাকার প্রায় ৭০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও উচু রাস্তার ধারে ঝুপড়ি ঘরে আশ্রয় নিয়েছে অনেক বানভাসী মানুষ। টানা বৃষ্টিতে সেখানে তাঁরা পরিবার পরিজন ও গবাদী পশু নিয়ে একসাথে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। এসব বন্যা কবলিত এলাকায় রয়েছে ব্যাপক খাদ্য, বিশুদ্ধপানি ও গো-খাদ্যের তীব্র সংকট।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2020
Design & Development by : JM IT SOLUTION