1. news.sondhan24@gmail.com : Masudur Rahman : Masudur Rahman
  2. reporternahidtkg@gmail.com : Nahid Reza : Nahid Reza
  3. jmmasud24@gmail.com : Ujir Parosh : Ujir Parosh
  4. jmitsolutionbd@gmail.com : jmmasud :
বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২০, ০৯:৩৫ অপরাহ্ন
নোটিশ :
সন্ধান২৪ এর পক্ষ থেকে সবাইকে স্বাগতম। করোনা ভাইরাস রোধে নিয়মিত সাবান দিয়ে হাত পরিস্কার করুন এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন। ধন্যবাদ

গোপালগঞ্জে মাছকাটা নারী শ্রমিকের মজুরি পেটা

  • প্রকাশিত : রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২০, ৪.৪২ এএম
  • ৫১ জন সংবাদটি পড়েছেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক: গোপালগঞ্জে শুটকি পল্লীগুলোতে মাছকাটার বিনিময়ে নারী শ্রমিকদের দেওয়া হয় মাছের পেটা । আর পেটা বিক্রি করে পারিশ্রমিক অর্থের তুলানায় বেশি পান বলেই শ্রমিকরা পেটার বিনিময়ে কাজ করতে বেশি আগ্রহী। মাছ কাটার কাজ করে স্বাবলম্বী গোপালগঞ্জের হাজার হাজার নারী শ্রমিক।

গোপালগঞ্জের ১০ হাজার ৮৯০ হেক্টর এলাকা নিয়ে বিস্তৃত ঐতিহ্যবাহী চান্দার বিল । এখানের জেলে সম্প্রদায়ের লোক মাছ ধরেই জীবিকা নির্বাহ করে । এখানে এক সময় এতো বিপুল পরিমান প্রাকৃতিক মাছ ছিল যে চান্দার বিল বৃহত্তর ফরিদপুর জেলার মাছের অভয়ারন্য হিসাবে পরিচিত ছিল । মাছের প্রাচুর্যের জন্য এ বিলকে এখনও বলা হয় গোপালগঞ্জের ঐতিহ্য । এছাড়াও জেলার পাঁচটি উপজেলায় রয়েছে ছোট-বড় অসংখ্য বিল। আর এসব বিলের জেলেদের কাছ থেকে বিভিন্ন ধরনের মাছ কিনে শুটকি তৈরি করে প্রস্তুতকারীরা। শুটকি তৈরির জন্য মাছ কাটা হয়। আর এসব মাছ কাটেন অসংখ্য নারী শ্রমিকরা। মজুরি বাবদ তারা  কেজি প্রতি পান ৮-১০ টাকা। যদি টাকা না নেন তাহলে পান মাছের পেটা । এই পেটা বিক্রি করে শ্রমিকরা বেশি অর্থ পান।

সরেজমিনে দেখা যায়, গোপালগঞ্জে শুটকি শুকানোর জন্য তৈরি করেছে ছোট বড় প্রায় ২ হাজার মাচা।মাছের আঁশ ও পঁচা মাছের গন্ধে মাছি সবসময় ভনভন করে। আর কাকডাকা ভোর হতে এ ধরনের পরিবেশেই মাছ কাটতে আসে প্রায় ৩ হাজার নারী শ্রমিক। শুকটির মাচার পাশে গোল হয়ে দা-বটি নিয়ে ছোট প্রজাতির টেংরা খৈলসা, পুটি, মলা, টাকি, মেনি, মাছ কাটতে বসে যায় তারা।

মাছ কাটতে আসা জোসনা বৈরাগী বার্তা২৪ কে বলেন, আমরা খুব ভোর থেকেই কাজ করি।প্রতিদিন সকাল ১০ পর‌্যন্ত কাজ করে ৮০ থেকে ১০০ টাকা মজুরি পাই । তবে মজুরি বাবদ মাছের পেটা নিলে তা বিক্রি করে বেশি টাকা পাই ।আমি এখান থেকে আয় করে পরিবারের ব্যয় নির্বাহের জন্য স্বামীকে সাহায্য করতে পারি।

আরেক শ্রমিক উজলী বালা বলেন, আমরা অনেকেই এখানে মাছ কাটার কাজ করি । বেশি কাজ করলে বেশি মজুরি পাই । তবে আমি দৈনিক ৮ থেকে ১০ কেজি মাছ কাটতে পারি। এখান থেকে পেটা নিয়ে ১৮০ থেকে ২০০ টাকা কেজি দরে ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করে যে টাকা পাই তা দিয়ে আমাদের সংসার চলে যায় ।

শুটকি প্রস্তুতকারী অমল বালা বার্তা২৪ কে বলেন, আমি দীর্ঘদিন যাবৎ শুটকি তৈরি ও বিক্রি করে আসছি। শুটকি তৈরির জন্য এখানে মাছ কাটতে এসে অনেকই মজুরি হিসেবে টাকা না নিয়ে মাছের পেটা নেয়। আগের তুলনায় বর্তমানে দেশিয় মাছ কম পাওয়া যায় । দাম বেশি থাকায় শুকটি তৈরি ও বিক্রি করে আগের মতো তেমন লাভ হচ্ছে না। তাই শ্রমিকদেরও বেশি মজুরি দিতে পারছি না। তবে আমার এখানে মাছ কাটার কাজ করে অনেক নারী শ্রমিকরাই স্বাবলম্বী।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2020
Design & Development by : JM IT SOLUTION
error: সন্ধান২৪ এর কোন তথ্য কপি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ !!