1. news.sondhan24@gmail.com : Masudur Rahman : Masudur Rahman
  2. jmmasud24@gmail.com : Ujir Parosh : Ujir Parosh
  3. jmitsolutionbd@gmail.com : jmmasud :
বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২০, ০৯:৩৮ অপরাহ্ন
নোটিশ :
সন্ধান২৪ এর পক্ষ থেকে সবাইকে স্বাগতম। করোনা ভাইরাস রোধে নিয়মিত সাবান দিয়ে হাত পরিস্কার করুন এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন। ধন্যবাদ
শিরোনাম :
কাশিয়ানীতে দরিদ্রদের খাদ্য সহায়তা দিলেন ব্যারিস্টার শেখ নাঈম দেশে করোনায় আরও একজনের মৃত্যু, মৃত্যু মোট ৬ এলাকা ঘুরে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করলেন রাজশাহীর বিএমএসএফের সাংবাদিকরা নাটোরে নিরাপদ বৃত্তে ও বাড়ি বাড়ি মেয়রের চাউল বিতরণ গোপালগঞ্জে সাংবাদিক ও চিকিৎসকদের পিপিই ও হ্যান্ড গ্লোবস দিলেন আ’লীগ নেতা বাবলা গোপালগঞ্জে ১৭ শতাধিক দরিদ্রদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ গোপালগঞ্জে ৯শ’ দুঃস্থ পরিবারকে শেখ সেলিম এমপির খাদ্য সহায়তা করোনা: কাশিয়ানীতে তৃতীয় লিঙ্গের ও বেদে সম্প্রদায়ের পাশে ইউএনও গোপালগঞ্জে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ১২টি ঘর ভুষ্মিভূত করোনা ভাইরাস: সাধারণ ছুটি ১১ এপ্রিল পর্যন্ত বর্ধিত

মাদারীপুরে করোনায় আক্রান্ত ১০ জন । ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২০, ৪.৩৯ পিএম
  • ৩৬০ জন সংবাদটি পড়েছেন।

মাদারীপুর প্রতিনিধি : করোনা সংক্রমণ ঝুঁকিতে থাকা মাদারীপুর শহর ও আশপাশের এলাকার সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান মঙ্গলবার বিকেল বন্ধ করে দিল পুলিশ। জেলা পুলিশের একাধিক টিম বিকেল সাড়ে চারটার দিকে মোটর সাইকেল ও পুলিশের পিকআপ গাড়ী নিয়ে ঘুরে ঘুরে শহরের রাস্তার দুই পাশে থাকা দোকানগুলো বন্ধ করে দেয়। করোনা ভাইরাসের প্রতিরোধে স্থানীয় প্রশাসনকে সহযোগিতা করার জন্য দুপুরে সেনাবাহীনির টিম মাদারীপুরে পৌছেছে। বুধবার সকাল থেকে সেনাবাহিনী মাঠ পর্যায়ে কার্যক্রম শুরু করবে জানা গেছে জেলা প্রশাসন সূত্র থেকে। আইইডিসিআর জানায় মাদারীপুর চরম করোনা ঝুঁকিতে রয়েছে। এ পর্যন্ত মাদারীপুর জেলায় ১০ জন আক্রন্ত হয়েছে। এ খবর মাদারীপুরের সাধারন মানুষের কাছে পৌছে যাওয়ায় মানুষ এখন আরো চরম আতঙ্গে দিন অতিবাহিত করছে।
মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত মাদারীপুরে হোম কোয়ারেন্টিনে ৩২৬ জন এবং হাসপাতালের কোয়ারেন্টিনে আছে ৩ জন। সদর হাসপাতালের আইসলেশনে আছে ৩ জন। গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে হোম কোয়ারেন্টিনে আছে ১৮ জন। এ পর্যন্ত হোম কোয়ারেন্টিন থেকে রিলিজ পেয়েছেন ৩১৩ জন। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন জেলা সিভিল সার্জন অফিস।
করোনা ভাইরাসের ঝুঁকিতে শিবচরের ৪টি এলাকা পঞ্চম দিনের মতো অবরুদ্ধ রয়েছে। অবরুদ্ধ এলাকাগুলো হলো শিবচর পৌরসভার ২টি ওয়ার্ড, পাঁচ্চর ইউনিয়নের একটি গ্রাম ও দক্ষিন বহেরাতলা ইউনিয়নের একটি গ্রাম। মঙ্গলবার সকাল থেকে দ্বিতীয় দিনের মত এসব গ্রামের হোমকোয়ারেন্টাইনে থাকা পরিবার ও নিম্ন আয়ের মানুষের বাড়িতে প্রত্যেক পরিবারকে চাল, ডাল, তেল, পেয়াজ, লবণ, সাবান ও ঔষুধসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য বিতরণ করেছে শিবচর উপজেলা প্রশাসন। প্রথম পর্যায়ে ১৫ মে.টন চাল বরাদ্দ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এছাড়া মাদারীপুর জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা বাড়ির দেয়ালে স্টিকার ও লাল পতাকা টাঙ্গিয়ে দেওয়া হয়।
করোনা ভাইরাস আতঙ্ক ও সরকারি নিদের্শনায় রাজৈর উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারের বেশির ভাগ দোকান মঙ্গলবার থেকে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। টেকেরহাট বন্দর বনিক সমিতির সেক্রেটারি কেরামত ফকির জানান, নিত্য প্রয়োজনীয় দোকান ছাড়া অন্যান্য দোকান পাট বন্ধ রাখার জন্য মাইকিং করেছি। বুধবার থেকে সকল পুরোপুরি সব দোকানপাট বন্ধ হয়ে যাবে।
কালকিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বলেন, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে দ্বিতীয় দিনের মত কালকিনি উপজেলার প্রায় সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। শুধু নিত্য প্রয়োজনীয় ও ঔষুধের দোকান খোলা রয়েছে। আমরা মাঠে তদারকি করছি। এছাড়াও করোনাভাইরাস সংক্রমন এড়াতে মাদারীপুরের সঙ্গে গৌড়নদীর সকল সিমান্তবর্ত্তী সংযোগ সড়ক সাময়িক বন্ধ করে দেয়া হয়েছে তবে ঢাকা বরিশাল মহা সড়ক খোলা আছে।
শিবচর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান জানান, চীফ হুইপের নির্দেশে দ্বিতীয় দিনের মত মঙ্গলবারও অবরুদ্ধকৃত সকল এলাকায় খাদ্য সামগ্রী ঘরে ঘরে পৌছে দিয়েছি। বিদেশ ফেরত প্রবাসীরা যেহেতু হোম কোয়ারেন্টেইনে তাদের এবং সমাজের নিরাপত্তার জন্য পুলিশিং পাহাড়ার ব্যবস্থা করেছি। সে কারণে তারা কেনাকাটা করতে বাহিরে যেতে পারছে না। এই উপলব্দি থেকেই আমরা হোম কোয়ারেন্টেইনে থাকা মানুষের কাছ থেকে নিরাপদ দূরুত্বে থেকে আমরা খাবার পৌছে দিচ্ছি।

মাদারীপুর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( সদর সার্কেল ) মোহাম্মদ বদরুল আলম মোল্লা বলেন, করোনা ভাইরাসের ঝুঁকির মধ্যে মাদারীপুর জেলা অন্যতম। এই ভাইরাস প্রতিরোধ করার জন্য আমরা মঙ্গলবার বিকেল থেকে শহরের সকল মার্কেট ও রাস্তা ঘুরে সব দোকান বন্ধ করে দিয়েছি। শহরের পাশাপাশি গ্রামের হাট-বাজারের দোকানগুলোও পুলিশ গিয়ে বন্ধ করে দিয়েছে। শুধু ঔষুধের দোকান, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দোকান, কাঁচাবাজারের দোকান খোলা থাকবে।
জেলা প্রশাসক মো. ওয়াহিদুল ইসলাম বলেন, দেশে এখন করোনা ভাইরাসের দুর্যোগ চলছে। মাদারীপুরের জেলা প্রশাসনকে সহায়তা করার জন্য সেনাবাহিনী এসেছে। তাদের সাথে বিকেলে আমাদের মতবিনিময় হয়েছে। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে আমরা যে ভাবে মাঠ পর্যায়ে কাজ করছি সে কাজেই সেনাবাহিনী সহায়তা করবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2020
Design & Development by : JM IT SOLUTION